প্রয়োজনের বেশি বিনিয়োগে সংকটে বিদ্যুৎ খাত

0

প্রয়োজনের বেশি বিনিয়োগ করে এখন সংকটে পড়েছে বিদ্যুৎ খাত। ২০২০ বা ২০২২ সাল পর্যন্ত সময়ে যে চাহিদা তৈরি হবে, এখনই তা পূরণ করার সক্ষমতা রয়েছে। এরপরও নতুন অনেক কেন্দ্র রয়েছে পাইপলাইনে। এসব কেন্দ্র চলতি বছরের শেষে কিংবা আগামী বছর শুরুতে উৎপাদনে আসবে। সরকারি হিসাব বলছে, দেশের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত কেন্দ্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ১৯ হাজার ৫৭ মেগাওয়াট। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) বলছে, এখন সান্ধ্যকালীন মোট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ১২ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট। আর দিনের সর্বোচ্চ চাহিদার পিজিসিবি গ্রিডে ১০ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সঞ্চালন করছে। এই হিসেবে সান্ধ্যকালীন অলস পড়ে থাকছে ৬ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট। অর্থাৎ এখন তীব্র গরমের সময়ই ৩৫ ভাগ বিদ্যুতের কাজ নেই।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার শীতে অন্তত ৬৫ ভাগ কেন্দ্রকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বাইরে থাকতে হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদন করুক বা না করুক, তাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হয়। যাকে বলা হয়, ক্যাপাসিটি পেমেন্ট। সুতরাং পিডিবিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বসিয়ে রাখলেও ঠিকই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে দুই দিক থেকে ক্ষতি হয়েছে। প্রথমত, এই খাতে অতি বিনিয়োগ হওয়ায় অন্যখাতে বিনিয়োগ প্রবাহ কমছে। দ্বিতীয়ত, চাহিদা নিরূপণের ব্যর্থতার কারণে কেন্দ্র বসিয়ে রেখে অতিরিক্ত ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিতে হচ্ছে। ক্যাপাসিটি চার্জের বিষয়ে পিডিবির সাবেক এক কর্মকর্তা বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিনিয়োগের ওপর ক্যাপাসিটি চার্জ ধরা হয়। সরকারি-বেসরকারি দুই ধরনের কেন্দ্রের জন্যই ক্যাপাসিটি চার্জ আছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন হোক আর না হোক, কেন্দ্র করতে যে খরচ হয়, সেটি ওঠাতেই হবে। সেজন্য ক্যাপাসিটি চার্জ ধরা হয়। তিনি বলেন, প্রতি কিলোওয়াট /ঘণ্টা (৮০ শতাংশ প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর ধরে) গড়ে ২ টাকার মতো পড়ে। এটি পূর্ণসময় চলা কেন্দ্রের ক্ষেত্রে। কিন্তু যদি কেন্দ্রটি পূর্ণ সময় না চলে, তাহলে অনেক সময় ৪০ প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর ধরা হয়, তখন ৪ টাকা, আবার যদি আরও কম চলে অর্থাৎ প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর যদি ২০ শতাংশ ধরে ক্যাপাসিটি চার্জ ৮ টাকা হয়ে যাবে। আনুপাতিকহারে দ্বিগুণ হয়ে যাবে। জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসা এই কর্মকর্তা বলছেন, চাহিদা নেই তবু বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করে যাচ্ছে সরকার। যখন সব বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো যাবে না, তখনই প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর কমে যাবে, বেড়ে যাবে ক্যাপাসিটি চার্জ। যতটুকু দরকার ঠিক ততটুকু বিদ্যুৎকেন্দ্র করা উচিত ছিল। অতি বিনিয়োগ হলে তার ক্ষতিকর প্রভাব তো পড়বেই। এখন যেখানে সর্বোচ্চ ১২ হাজার মেগাওয়াট দরকার, সেখানে ১৮/১৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। তাই ক্যাপাসিটি চার্জও বেশি।

প্রয়োজনের বেশি বিনিয়োগ করে এখন সংকটে পড়েছে বিদ্যুৎ খাত। ২০২০ বা ২০২২ সাল পর্যন্ত সময়ে যে চাহিদা তৈরি হবে, এখনই তা পূরণ করার সক্ষমতা রয়েছে। এরপরও নতুন অনেক কেন্দ্র রয়েছে পাইপলাইনে। এসব কেন্দ্র চলতি বছরের শেষে কিংবা আগামী বছর শুরুতে উৎপাদনে আসবে। সরকারি হিসাব বলছে, দেশের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত কেন্দ্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ১৯ হাজার ৫৭ মেগাওয়াট। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) বলছে, এখন সান্ধ্যকালীন মোট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ১২ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট। আর দিনের সর্বোচ্চ চাহিদার পিজিসিবি গ্রিডে ১০ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সঞ্চালন করছে। এই হিসেবে সান্ধ্যকালীন অলস পড়ে থাকছে ৬ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট। অর্থাৎ এখন তীব্র গরমের সময়ই ৩৫ ভাগ বিদ্যুতের কাজ নেই।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার শীতে অন্তত ৬৫ ভাগ কেন্দ্রকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বাইরে থাকতে হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদন করুক বা না করুক, তাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হয়। যাকে বলা হয়, ক্যাপাসিটি পেমেন্ট। সুতরাং পিডিবিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বসিয়ে রাখলেও ঠিকই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে দুই দিক থেকে ক্ষতি হয়েছে। প্রথমত, এই খাতে অতি বিনিয়োগ হওয়ায় অন্যখাতে বিনিয়োগ প্রবাহ কমছে। দ্বিতীয়ত, চাহিদা নিরূপণের ব্যর্থতার কারণে কেন্দ্র বসিয়ে রেখে অতিরিক্ত ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিতে হচ্ছে।

ক্যাপাসিটি চার্জের বিষয়ে পিডিবির সাবেক এক কর্মকর্তা বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিনিয়োগের ওপর ক্যাপাসিটি চার্জ ধরা হয়। সরকারি-বেসরকারি—দুই ধরনের কেন্দ্রের জন্যই ক্যাপাসিটি চার্জ আছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন হোক আর না হোক, কেন্দ্র করতে যে খরচ হয়, সেটি ওঠাতেই হবে। সেজন্য ক্যাপাসিটি চার্জ ধরা হয়। তিনি বলেন, প্রতি কিলোওয়াট /ঘণ্টা (৮০ শতাংশ প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর ধরে) গড়ে ২ টাকার মতো পড়ে। এটি পূর্ণসময় চলা কেন্দ্রের ক্ষেত্রে। কিন্তু যদি কেন্দ্রটি পূর্ণ সময় না চলে, তাহলে অনেক সময় ৪০ প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর ধরা হয়, তখন ৪ টাকা, আবার যদি আরও কম চলে অর্থাৎ প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর যদি ২০ শতাংশ ধরে ক্যাপাসিটি চার্জ ৮ টাকা হয়ে যাবে। আনুপাতিকহারে দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসা এই কর্মকর্তা বলছেন, চাহিদা নেই তবু বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করে যাচ্ছে সরকার। যখন সব বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো যাবে না, তখনই প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর কমে যাবে, বেড়ে যাবে ক্যাপাসিটি চার্জ। যতটুকু দরকার ঠিক ততটুকু বিদ্যুৎকেন্দ্র করা উচিত ছিল। অতি বিনিয়োগ হলে তার ক্ষতিকর প্রভাব তো পড়বেই। এখন যেখানে সর্বোচ্চ ১২ হাজার মেগাওয়াট দরকার, সেখানে ১৮/১৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। তাই ক্যাপাসিটি চার্জও বেশি।

Follow and like:

Leave A Reply